পড়া মনে রাখার ৬টি উপায়

নাম, ফোন নম্বর, জায়গার নাম মনে রাখতে পারেন না অথবা মনযোগ দিয়ে সারাদিন পড়েও পড়া মাথায় রাখতে পারছেন না তাহলে আজকোর পোস্টটি আপনার জন্য।

আজকে আমি ৬টি উপায় শেয়ার করবো আপনাদের মাঝে যদি এগুলো মেনে চলেন তাহলে আপনি কাংখিত সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি লাভ করতে পারবেন তাহলে চলুন শুরু করা যাক

১। নতুন কিছু করুন নতুন কিছু করার বা শিখার  মাধ্যমে মগজ আরো শক্তিশালী হয়ে উঠে।মগজে শক্তিশালী করার সহজ উপায় হলো নতুন করার জন্য মস্তিষ্ক কে চ্যলেন্জ করা। ছবি আঁকা কিংবা বিদেশি ভাষা শিখার মধ্যে দিয়েও এটি করা সম্ভব। যখন আপনি নতুন কিছু করেন তখন আপনার ব্রেন এ নতুন নতুন নিগমন কানেকশন তৈরি হয়।প্রতিদিন নতুন কিছু করার জন্য উঠে পড়ে লাগুন তাহলে আপনার ব্রেন আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

২। বিছানায় শুয়ে পড়ুন বিজ্ঞানীদের একটি গবেষণায় দেখা গেছে বিছানায় শুয়ে বসে পড়লে সেটা অধিক কার্যকরী হয়।  দিনে বেলায় যখন আপনি নতুন কিছু করছেন তখন আপনার মস্তিষ্ক স্নায়ুকোষে নতুন নতুন সংযোগ তৈরি করে আপনি যখন ঘুমিয়ে পড়েন তখন সেই সংযোগ আরো জোরদার হয় এবং যা শিখেছেন সেইগুলো সৃতি হিসেবে জমা হয়। এক পরীক্ষায় জানা যে একজন মানুষের ঘুমানোর আগে যদি তাকে একটি লিস্ট মুখস্থ করতে বলেন তারপরের দিহ সকালে যদি তাকে জিজ্ঞেস করেন তাহলে সে সেটা খুব সহজেই বলতে পারবে অন্যদিকে যদি একই লিস্ট আপনি তাকে সকাল বেলায় দিয়ে বিকেলে জিজ্ঞেস করেন তাহলে সেটা বলা তার পক্ষে খুব কঠিন হয়ে যাবে তবে শুবার আগে কোনো দুঃখের সৃতি চিন্তা করা বা  মনে না করে শুয়াই ভালো কারণ সেটা মস্তিষ্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই আপনি সেগুলো বাদ দিয়ে সারাদিন যত ভালো কাজ গুলো ঘটেছে সেগুলোকে মনে করুন শুবার আগে তাহলে পরেরদিন সেটা খুব ভালোভাবে মনে থাকবে।

৩। পযাপ্ত ঘুম সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই পযাপ্ত ঘুম না হলো আমাদের কি সমস্যা হয় সেটা আমরা খুগ ভালোভাবেই জানি দৈনিক ৫ঘন্টার কম ঘুম হলে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে আর প্রতিদিন ১০ ঘন্টার বেশি ঘুম হলে মস্তিষ্ক ফ্রি হবার সময় পায়না।কিন্তু পুরোটা দিন ভালোভাবে কাটিয়ে দেওয়ার চাবিকাঠি লুকিয়ে রয়েছে আপনি কিভাবে ঘুম থেকে উঠেন তাই দিনের শুরুর সাথে তাল মিলিয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠুন।

৪।  অবসর সময় কাটান সল্পমাএার মানসিক চাপ আসলেও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।এতে বিপদের সময় বা দরকারের সময় প্ররিস্থতি মোকাবেলা করার জন্য দ্রুত বুদ্ধি পাওয়া যায়।কটিসল নামক হরমোনের কারণে দেহে মনোযোগর একাগ্রতা বাড়ে।কিন্তু দীর্ঘ দিনের মানসিক চাপ মস্তিষ্কের জন্য খুব খারাপ। সুতরাং অবসর সময় খুব মস্তিষ্ক ভালো রাখার জন্য খুব মূল্যবান ভূমিকা রাখে।

৫। সঠিক খাবার আপনার খাবারের ২০ শতাংশ শকর্রা আপনর মস্তিকে যায়।মস্তিষ্কের কাজের পুরোটাই নির্ভর করে তার বূলগোস এর মাএার উপর শরীরে বূলগোস এর পরিমাণ কম হলে আপনার মনে দেখা দিতে পারে নানা রকমের সমস্যা৷ যেসব খাবার আপনার পছন্দ সেই সব খাবার খেলে আপনার মস্তিষ্কে রিওয়ার্ড ইরিয়ায় রুপমেন রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়ে।  ফলে আপনার মনে খুশি খুশি ভাব হয় কিন্তু মস্তিষ্কের পাশাপাশি আপনার পেটের দিকে নজর দিতে হবে।

৬। ব্যয়াম এটা একটা সত্যি কথা  যে শরীর চর্চা করলে দেহের পাশাপাশি পেশির পাশাপাশি মস্তিষ্কের আবরণ ও বৃদ্বি পায়। ব্যয়াম করলে মস্তিষ্ক নতুন নতুন কোষ তৈরি হয়। আর ব্যয়াম করার ফলে মস্তিষ্কে অক্রিজেন এবং বূলগোস বৃদ্ধি পায় আপনি যদি খোলা জায়গায় ব্যয়াম করেন তাহলে যে জিনিসটা বাড়তি পান সেটা হলো ভিটামিন ডি। খোলা জায়গায় ব্যয়াম এর পাশাপাশি আপনি নতুন কোনো জায়গায় বেড়াতে যান এবং নতুন আইডিয়া খুজে বের করুন,,,

 

 

ধন্যবাদ#

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *