যত কম Care করবেন তত বেশি খুশি থাকবেন

একটি মা, একটি বাচ্চা বা একটি ধনীলোকের সন্তান এরা সব সময় খুশিতে কেন জানেন। করণ এদের মধ্যে কোনো কিছু চিন্তা থাকেনা। অর্থাৎ আপনি যত কম কেয়ার করবেন আপনার জীবনে বেঁচে থাকা তত সহজ হবে।অনেক বার আমরা চিন্তা করি কারো কথা না ভাবার,  ভবিষ্যতের কথা না ভাবার,  অতীতের কথা না ভাবার। আর এই সব কিছু আমাদের হাতেও থাকেনা তারপরেও মন খারাপ করে থাকি। আপনি যত বেশি কেয়ার লিস হবেন আপনার জীবনের খুশি তত বেশি মজবুত হবে।কিন্তু আমি এটা বলছি না যে আপনি নিজের জন্য কেয়ারলিস হয়ে যাবেন।কিন্তু ফালতু কথা থেকে, ফালতু মানুষ থেকে নিজেকে মুক্ত করার দরকার আছে।

আজকে আমি এমন কিছু কথা বলবো যা আপনাকে খুশিতে থাকতে ও নিজেকে খুজে পেতে অনেক সাহায্য করবে।তো চলুন শুরু করা যাক।

সবার প্রথমে লোকতো মুখে অনেজ বড় বড় কথা বলে এরা সবাই নিজেকে সফল মনে করে সবাই জীবনে অনেক কিছু করেছে মনে করে। কিন্তু পরিশ্রম করাটা সবার দ্বারা সম্ভব হয় না।তাই কথার থেকে কাজ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যেমন তোতা পাখি সব সময় বক বক করে কিন্তু সে সব সময় খাঁচাতে বন্দি থাকে।আর ঈগল পাখি সব সময় চুপচাপ থাকে তাই সে আকাশে উড়ে।তাই কেবল বক বক না করে কিছু করে দেখান।তখন লোকে বলবে আমরা তো শুধু কথাই বলে গেলাম আর আসল কাজ তে এই করলো।

তাই আপনার কাজের আওয়াজ কথার আওয়াজ থেকে বেশি হওয়া দরকার।এরপর আপনি হার্ডওয়ার্ক করুন আর স্মার্ট ওর্য়াক করুন সব সময় আপনর ক্ষতার খেয়াল রাখুন। এমনটা যেন না হয় আপনার পরিবার আপনাকে নেগেটিভ কোনো কথা বলল এবং আপনার বন্ধুরা আপনাকে ছোট করলো আর আপনার কনফিডেন্স লেভেল লো হয়ে গেল।এটা আমি জানি আপনজনের কথা আমাদের কষ্ট দেয় অনেক। আমরা সহজে সেটা ভুলতে পারি না আর আমাদের কনফিডেন্স অনেক লো হয়ে যায়।কিন্তু আপনি কি সেটা কেবল আপনিই জানেন বাইরের লোকতো কেবল সেটাই দেখবে যা বাইরে থেকে দেখা যায়।যেমন নারকেল কে যদি কেউ না কেটে দেখাতো তাহলে তাকে আজও বেকার জিনিস মনে করা হতো।একই ভাবে আমাদের ভিতরের খবর কেবল আমরাই জানি।যেমন একটা ছেলে জীমে যেতে চাইতো কিন্তু সে এতোটাই পাতলা ছিল যে তার নিজেরই লজ্জা লাগতো যে লোকে কি বলবে।চর একদিন সে সাহস করে জীমে সেখানে সবাই তাকে দেখে মজা উড়ায় আর বলে তুই তে কাগজের মতো পাতলা,তুই তো হাওয়াতেই উড়ে যাবি এরপট সে আর জীমে যায়নি। এর কিছুদিন পর ছেলেটির বাইক এক্রিডেন্ট হয় আর ডাক্তর বলে সে আর কোনোদিন শুনতে পারবে না।আর ডক্তরতাকে ব্যয়াম করতে বলে।এরপর সেই ছেলেটি আবার জীমে যায় কিন্তু এখন সে আর দাঁড়ায়নি সে রোজ জীমে যায়।

আর কিছুদিনের মধ্যে সে ভালো একটা বডি বানায়।আর এটা কেবল এই কারণেই হয়েছে যে সে শুনতে পায়না, আর যেহেতু সে কোনো কিছু শুনতে পায়না তার কারণে তার কোনো মাথা ব্যাথা নেই লোকে যাই বলুক না কেন তার কিছু যায় আসেনা।আর তার কারণেই তার কনফিডেন্স হাই হয়েছে আর আপনার কনফিডেন্স আপনার ওই সব কিছু পূরণ করবে যা আপনার প্রয়োজন। তাই সব সময় নিজের ভিতরের ক্ষমতা খেয়াল রাখুন।এরপর হলো নিজের জন্য বাচুন আপনর না থাকাতে যাি কারো ফারাক না বাজে তাহলে তার থেকে দূরে চলে যান।যে কাজ আপনার ভালো না লাগে সেটা বাদ দিয়ে অন্য কাজ করুন কিন্তু আপনার খুশির সব সময় খেয়াল রাখুন।কোনো কিছুর জন্য নিজেকে কষ্ট দিবেন না।

এই জীবন কেবল আপনার মুখে হাসি দেখতে চায়।আপনার জীবন অনেক সুন্দর হয়ে যাবে যদি আপনার খুশির খেয়াল রাখুন।এরপর কোনো আফসোস ছাড়াই আপনাকে বাচতে শিখতে হবে এতে কিছু যায় আসেনা যে আপনার সাথে কিছু ভুল হয়েছে, কোনো মানুষ আপনার থেকে দূরে চলে গেছে বা এমন কোনো কিছু হয়েছে যা আপনার কষ্ট পেতে বাদ্য তাহলে সেটা ভাবা বন্ধ করুন।আপনি নিজে উল্টা বুঝতে পেরেছেন এটাই অনেক কারণ আজ কাল তো কেউ শিকার এ করতে চায় না যে তার দ্বারা ভুল হয়েছে।এছাড়াও কিছু জিনিস আমাদের হাতেও থাকেনা।

তাই সব কিছু নিয়ে আফসোস করার কোনো দরকার নেই।এরপর নিজের খেয়াল রাখুন। আর কখনোই ধন্যবাদ বলতে ভুলবেন না কোউ যদি কোনো ছোট বড় সাহায্য করেনতাহলে তাকে মন থেকে ধন্যবাদ দিন।কারণ এই পৃথিবীতে মজা নিবার লোকের অভাব নেই আর সাহায্য করার মতে লোকের সংখ্যা অনেক কম তাই ধন্যবাদ দিতে কখনোই ভুল করবেন না। আপনার কথা এমন একটা চাবি যার মাধ্যমে যেকোনো তালা খুলতে পারে আবার যেকোনো দরজা বন্ধ হতে পারে তাই একটু ভেবে কথা বলা শিখুন কারণ লোল আপবার কথা শুনে আপনার কাছে আসবে।যদি আপনার কথার মধ্যে মদু থাকে তাহকে লোক অটোমেটিক আপবার বন্ধু হয়ে যাবে তাই আপনার বলা প্রতিটি কথার খেয়াল রাখুন।

তে বন্ধুরা এইনছিল কিছু কথা যা আপনার জীবনকে সুন্দর করতে সাহায্য করবে।

আশা করি আজের লেখা গুলো আপনাদের অনেক ভালো লেগেছে তাই আপনাদের বন্ধুাের কাছপ শেয়ার করতে ভুলবেন না

#ধন্যবাদ

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *